অতিরিক্ত ভালোবাসার শেষ পরিণিতি

ক্লাস ৯ এ পড়ি। রমজানের ছুটি চলছে, তারি মাঝে প্রাইভেট পড়তে যায় পাশেই এক মাস্টার্স পাশ করা বড় ভাইয়ের কাছে। দেখি ৪ টা মেয়ে পড়তে আসে। তার মাঝে একটা মেয়ে বাকি তিনজন থেকে সুন্দর। কিন্তু দেখে মনে হয় এক ক্লাসে পড়লেও বয়সে বড় হবে। তাই এগাতে চাই নি। বন্ধুদের মাঝে বলতে থাকি বয়সে বড় না হলে প্রেম করতাম। একদিন এক বন্ধু বলে বয়সে বড় তো কি। শচীন টেন্ডুলকার ও তো তিনবছরের বড় মেয়েকে বিয়ে করেছে। এইভাবে বন্ধু অনিক বলে প্রপোজ করতে। তার আগে মেয়েটিকে চোখের ইশারার পটিয়ে নিতে। মানে তারদিকে একটানা চেয়ে থাকতে চুপচাপ থাকতে । তো পরের দিন বন্ধুর কথা মতো কাজ। মেয়েটি ও তার এক বান্ধবী বুজতে পারে। মেয়েটির বান্ধবী রিয়া এসে বল কিরে নীল(ছদ্মনাম) সামথিং সামথিং? আমি বলি হ্যা। তখন আমার বন্ধু মেয়েটির বান্ধবী রিয়াকে বলে :প্রেম টা করায় দে রিয়া। তারপর যায় ওদের পিচু পিচু। মেয়েটিকে আমার বন্ধু বলতে থাকে তকন ও রাজি হয়ে যায়। তখন আমাকে বলতে বলে। কিন্তু আমি লজ্জাতে কিছুক্ষন পরে অন্যদিকে মুখ নিয়ে প্রপোজ করি। দিনটি ছিল ১৩/১১/২০১৮ কয়াত্যায়নী পুজার ষষ্ঠীর দিন

সেমক্লাসের প্রেম যেহেতু বাধা থাকবেই তা হলো মেয়েটির বিয়ে দেওয়া। তারপরেও আমরা এগোতে থাকলাম। যে দরকার হলো পালিয়ে বিয়ে করবো। আমি ছিলাম বিজ্ঞানের ছাত্র তো ভালোবাসার চাপে পড়া শোনা একদমই লাটে উটলো
তারপর টুকিটাক করে চলছিলো

আসলো বাধা কখনোই পেরোতো পারলাম না।ssc exam ses.। কথা চলচছিলো ঠিকঠাকই অবশেষে জুলাই থেকে আসলে ঝামেলা। টুকটাক ব্যাপার নিয়ে মনোদন্দ। তারপর একদিন প্রিয় মানুষটিকে সারাজীবনের জন্য হারালাম ২৪/০৬/২০২০
আত্মহত্যা করেছিলো গলায় ফাস দিয়ে

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top