দগ্ধ হাসি

একটা বোধ কেমন করে ঘোরে মাথার ভিতর—,
এ বোধ এমন হানা দেয় ক্ষণে ক্ষণে
কানামাছি খেলার মতো চোখ বেঁধে,
নিজেকে ভাবি আর ভাবি—।
কত হাসি পুড়ছে, দগ্ধহাসির ছাই দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না,
সময় বড় ভয়ানক।
এই চোত-বোশেখে হানা দিল কারা?
কনকচাঁপার গন্ধ নিয়ে বসন্ত-সোহাগে মধুময় ওরা,
ব্যস্ত সময় দগ্ধ হয়ে অন্তরালে হাসে।
কত গৃহিণীর কান্না শুনি গল্প লেখার ছলে,
বোধটা আবার কামড়ে ধরে জীবনবোধের ঘরে।
ভাবনা-বলয় হচ্ছে শ্মশানচারী,
আঘাত কাঁপে বুকের ভিতর
পাঁজরে এক দগ্ধ হাসি।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top